December 22, 2016

Harimohon Govt. High School এ ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির রেজাল্ট বের হয়েছে ।।
Harimohon Govt. High School Admission Test( Class VI) Result
#HarimohonClass6Result

Image File :::





Merit List :::















 Waiting List :::

















May 13, 2016

Earn Money in Trafficmonsoon

*ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটার / lapto *একটি ইমেইল একাউন্ট। * ১টি payza account. account খুলতে হবে। acount খোলার সময় payza এর email দিতে হবে। । * দিনে সবোচ্চ 20 মিনিট সময় * আর সবথেকে বেশি প্রয়োজন আপনার ইচ্ছা & ধৈয। কাজের ধাপঃ 1. সঠিকভাবে একাউন্ট তৈরি করা। 2. সব এড সময় মতো দেখা। 3. রেফারেল বানানো। 4. 10টি surf এড নিয়মিত দেখা। (Referral থাকলে আবশ্যক) 5. ডলার কেস আউট করা। অথ্যাৎ টাকা আয় থেকে শুরু করে হাতে পাওয়ার A to Z। এবার কাজ শুরু করা যাক। এখানে আইড করতে হলে আগেই আপনাকে একটা NID card এর স্কান কপি রাখতে হবে। এটা আপনার না থাকলে আপনার বাবা অথবা আম্মুর টা স্কান করে আনতে পারেন। এবার আপনাকে Trafficmonsoon এ রেজিস্টার করতে হবে। রেজিস্টোর করতে নিচে banner ক্লিক করুন।

Share Up To 110 % - 10% Affiliate Program

* First Name : or Last Name : (NID তে যেটা আছে) * Phone: (এখানে আপনার মোবাইল নম্বার দিন)অবশ্যই আপনি সবসময় যে নাম্বার ব্যবহার করেন সেই নাম্বার দিবেন। * Email Address : (এখানে আপনার ইমেইল একাউন্টটি দিন। এই একাউন্টে আপনার একাউন্টের সকল তথ্য দেওযা হবে) * Retype E-mail: (একই ইমেইল একাউন্ট আবার দিন।) * Enter Username: (এখানে একটি ইউজার নেইম নির্বাচন করুন। এর মধ্যে কোনো স্পেইস হবে না) * Setup a Withdraw Code & Retype Code: (এখানে পাঁচ ডিজিটের বেশি একটি পিন নম্বার দিন। ডলার withdraw করার সময় এই পিন দিতে হবে। এই pin টি মনে রখবেন) * Define Password (Letters and Numbers): or Retype Password: (এখানে আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড দিন।) * Payment Information: (এখানে যদি আপনার এতিমধ্যে পেইজা অথবা সলিডসার্স্টে একাউন্ট থাকে তাহলে দিয়ে দিন। payza দিয়ে dollar withdraw করাই ভালো। ৩টা security question পুরন করুন।সকল বিষয় একটা text এ নিচের formate অনুযাই save করে রাখুন। First Name = Last Name = Date of Birth = Address = City = State = Country = Bangladesh Postal Code = Phone = User Name = Passward = Mail = Withdrawal Pass:= Payza = Security Questions ————————— 1. What is the name of your best friend as a child? = 2. What is the name of your elementary school? = 3. In what city or town does your nearest sibling live? = এবার I understand and fully agree to ট্রাফিকমনসুন Terms and Conditions Including that any purchase of service is non-refundable. মার্ক করে কেপচা পূরণ করে “Proceed” এ ক্লিক করুন। “procced” button এ click করলে যদি আসে যে A verification code was sent to your account তাহলে বুঝবেন আপনার account হয়ে গেছে। এখন আনার gmail/ yahoo তে log in করুন। এবার আপনাকে আপনার Trafficmonsoon একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। ভেরিফাই করতে আপনার ইমেইল একাউন্ট চেক করুন। ট্রাফিকমনসুন থেকে আপনাকে একটি ইমেল দেওয়া হবে। ইমেইলে আপনার একউন্টের তথ্যসহ আপনার একাউন্ট একটিব করার একটি লিংক দেওয়া হবে। লিংকটিতে ক্লিক করে আপনার একাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার একাউন্টে লগিং করুন। আপনার একাউন্ট তৈরির কাজ শেষ। এখন আপনাকে NID card এর স্কান কপি সাবমিট করতে হবে। লগ ইন করার পর উপরে দেখবেন not verified লেখা আছে। ওই টায় ক্লিক করুন তারপর দেখবেন নিচে browse লেখা আছে। ওই খানে আপনার NID এর স্কান কপি select করুন। NID এর স্কান কপি অবশ্যই JPEG formte এ থাকতে হবে। এবার upload এ ক্লিক করুন। ২ দিন এর ভিতর আপনার account approve হয়ে যাবে। একাউন্ট তৈরি করার পর আপনার কাজ হল প্রতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখা। এড ভেলু ০.০০১, ০.০০৫,0.01 ও 0.02 হয়। প্রতিদিন নিয়মিত এডগুলো দেখুন। এখন ০.৩০ এর অ্যাড প্রতিদিন। কতটা earn হবে এই সাইট থেকে? এখানে আপনি 0.৩০ এর এড প্রতিদিন পাবেন। আপনার ১ টা রেফারেল থাকলে পাবেন সেই পরিমান কমিসন। মানে আপনার এক দিনের আয় হল ০.৩$. এখন ভাবুন ১০ তা রেফারেল হলে কি হবে, ১০x০.৩= ৩$। শুরু করার ক্ষেত্রে ভাল আয়। মাসে আয় হচ্ছে ৩০x3=90 আর কি চায়। আয় বারাতে শুধূ রেফারেল বারান,ব্যাসসসসস। ছাত্রদের জন্য এটি খুব ভাল উপায়, কেননা এতে বেশি সময় লাগে না আর যা টাকা পায় তাই জমা করতে পারে। ১ বছরে 10 টা রেফারেল থাকলেই ১২x৯০=১০৮০$ যা টাকাতে ৮১০০০ টাকা। এটা তো তারা পড়াশোনা করতে টাকার অসুবিধা হলেও কাজে লাগাতে পারে, তাই না কি? আর সময় ও কম লাগে তাই পড়ার ও ক্ষতি হবে না।

June 22, 2015

চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে রোজা রাখার উপকারিতা :
courtesy : healthbarta.com
(Dr.Helal Kamaly) রোজার মাধ্যমে
শরীরের মধ্যস্থিত, প্রোটিন, ফ্যাট ও শর্করা
জাতীয় পদার্থসমূহ স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে
গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোতে পুষ্টি বিধান হয়। এই
পদ্ধতিকে “এ্যান্টো লিসিস” বলা হয়। এর ফলে
শরীরে উৎপন্ন উৎসেচকগুলো বিভিন্ন
কোষে ছড়িয়ে পড়ে। এটি হচ্ছে শরীর
বিক্রিয়ার এক স্বাভাবিক পদ্ধতি। রোজা এই
পদ্ধতিকে সহজ, সাবলীল ও গতিময় করে। যার
প্রমান আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগেই
হিপ্লোক্র্যাটন এর লিখা থেকেই কিছুটা সবাই
জানতেন । ( “খাদ্য তোমার রোগের ওষুধ )
রোজার মাধ্যমে লিভার রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয়
ফলে ত্বকের নিচে সঞ্চিত চর্বি, পেশীর
প্রোটিন, গ্রন্থিসমূহ এবং লিভারে কোষসমূহের
রস সমুহ বেশী নিঃসরণ যার ফলে নিয়মিত
অভ্যাসকারীদের শারীরিক অসুখ বিশুখ ও
অবকাঠামো অন্যান্যদের চাইতে অনেক ভাল
থাকে, যদি ঠিক মত পালন করেন ( প্রমাণিত,
মেডিক্যাল সাইন্স এন্ড ইসলাম ) —
কিছু প্রমাণিত বিষয় জেনে নিতে পারেন,
রোজা রাখলে যে সকল উপকার পাওয়া যায়
– ( শর্ত একটাই- সংযমী ও ঠিক নিয়মে রোজা
রাখতে পারলে আপনার নির্দিষ্ট সুফল পেতে
পারেন ) অনেকের ভুল ধারনা থাকলে তাও
শুধরিয়ে নিতে পারেন ( চিকিৎসা বিজ্ঞান
অনুসারে )
স্লিম বডি এবং ওজন কমানোর বিশেষ সময়:-
যারা শরীর কে কমানোর জন্য জিম বা ভিন্ন
ধরণের এক্সারসাইজ করেন তিনিদের জন্য খুভি
ভাল একটি সময় এই রমজান মাস । এ সময়
দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে শরীরের
জমানো চর্বিগুলো ক্ষয় হতে থাকে।
এইভাবেই ধীরে ধীরে ওজন কমতে
থাকে তবে সেহেরী ও ইফতার খাওয়ার সময়
অবশ্যই পুস্টি কর খাবারের দিকে লক্ষ রাখতে
হবে । কেউ কেউ ইফতারের পর রিদম
ইক্সারসাইজের কথা বললে ও আমার ব্যাক্তি গত
মতে, তা না করে পবিত্র নামাজ সমুহ আদায়
করে নিতে পারলে, নামাজ থেকেই ১০০%
রিদম এক্সারসাইজের ফল পাওয়ার কতা বা শারীরিক
অন্যান্য অবশতা চলে যাবে যার ফল দেখতে
পাবেন প্রথম তিন রমজান পর ( পরীক্ষিত,
সাইন্স এন্ড মেডি ইনফ ) বা স্থূলকায়
ব্যাক্তিদের জন্য অতিরিক্ত আহার বিরাট একটি
স্বাস্থ্য সমস্যা তাই এ সময়ে অতিরিক্ত ভোজন
বিলাস থেকে দূরে থাকার সুন্দর একটি সময় বলা
যায় ।
রোজা রাখার কারণে স্থূলকায় শরীরে জমে
থাকা এসব রিজার্ভ কোলেস্টেরল শরীরের
অন্যান্য জ্বালানীর কাজে ব্যয় হয়ে যায় বিধায়
শরীর অনেক টা কমে যায় এবং রক্তের
সার্কুলেশনের ও সুন্দর একটা দিক নেয় । ল্যাব
পরীক্ষায় দেখানো হয়েছে , রোজা রাখার
প্রথম দিন হতে তৃতীয় পর্যন্ত আমাদের
শরীরের মাংসপেশীর গ্লাইকোজেন যকৃত
গ্লাইকোজেন থেকে শক্তি থেকে
পেয়ে থেকে এবং তৃতীয় / চতুর্থ দিন
থেকে, আমাদের শরীরের এটি চর্বি
স্টোরেজ থেকে শক্তি পেয়ে ketosis
মোডে পরিবর্তন হয় এবং এভাবে ৩০ দিন
পর্যন্ত চলতে থাকলে একজন ব্যাক্তির শুধু
পেশীর স্থুলতা ২ পাউন্ড লস হয়, সেই
হিসাবে সারা শরীরের ৩০ দিনে ৭/ পাউন্ড
পর্যন্ত শরীরের স্থলতা কমানো সম্বভ
( অবশ্য ইফতার এবং সেহেরীর প্রোটিন
খাওয়ার উপর নির্ভর করবে কম বেশী –
প্রমাণিত )
রোজা রাখার অভ্যাসে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষুধা
হ্রাস করে বিধায় পরবর্তীতে ঠিক সেই ভাবে
যদি জীবন যাপন করতে পারেন- তা হলে
অন্য এক সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে
যে, আপনার শারীরিক অবকাঠামো সাধারনের
চাইতে ২০% উন্নিত রাখা সম্বভ , সেই দৃষ্টিতে
রোজা বার্ধক্য রোধে ও শারীরিক সুন্দর
বৃদ্ধি করতে অনেকটা সহায়ক । ( – ইনফ,
মেডিসিন )
হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি
রোগীদের জন্যঃ হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ
ও হাঁপানি রোগীদের জন্য রোজা উপকারী।
রোজার ফলে রক্তের ক্ষতিকর
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে
হৃদরোগের ঝুঁকি ৬০% কমানো সম্বভ ।
( পরীক্ষিত ) বা রোজা শারীরবৃত্তীয়
প্রভাব, রক্ত শর্করা কমিয়ে কলেস্টেরল
কমিয়ে এবং সিস্টোলিক রক্তচাপ কমিয়ে দেয়
অতি সহজে, রক্তে কোলেস্টেরলের
স্তর হ্রাস করে .পাশাপাশি ধমনীতে দেয়ালে
যে কোলেস্টারলের গাদ থাকে তা
precipitating হার কমে যায় ইহা ও প্রমাণিত।
এভাবে পালাক্রমে কার্ডিয়াক এবং কারডিও
ভাস্কুলারের দুর্ঘটনা জনিত যে সকল অসুখের
ভয় আছে তা কমিয়ে দেয় ( হার্ট এট্যাক
জাতীয় ) ঠিক তদ্রুপ এবং উচ্চ রক্তচাপের
বাড়াতে বাধা দেওয়ার সাথে রক্তে চর্বি ঘাটতি
পিত্ত এবং choledocus জাতীয় পাথর কমাতে
বিশেষ সাহায্য করে নতুন এক প্রমানে
দেখানো হয়েছে । লোয়ার
কলেস্টেরলের বেলায় লিপিড প্রোফাইল
ইতিবাচক প্রভাব রাখে সে জন্য নিম্ন
কলেস্টেরল খুভ সহজে নিয়ন্ত্রণ করে
বিধায় স্ট্রোকের আক্রমন থেকে ও
অনেক খানি মুক্ত রাখে
মানসিক দুশ্চিন্তা জনিত ভিন্ন অসুখ , কর্মক্ষমতা
বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন কু রুচি সম্পন্ন বদ অভ্যাস দূর
করে- রোজা রাখা ও ধর্মীয় অনুশাসনের
ফলে ( মহান আল্লাহতালার প্রতি বিশেষ অনুগত
থাকার কারণে ) মস্থিস্কের স্ট্রেস হরমোন
করটিসেল খুভ কম নিঃসরণ হয় ( প্রমাণিত ) যার
কারণে যাহারা মানসিক ভাবে ভিন্ন অসুখে
আক্রান্ত তিনিদের জন্য বেশ ভাল একটি সময়
বলা যায় ( এবং এর রেজাল্ট রোজা রাখার ২য়
সপ্তাহ থেকে পাওয়া যায় , প্রমাণিত ) প্রমান
সরুপ দেখা গেছে এতে বিপাকক্রিয়ার ফলে
মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক
সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ে বিধায় মনের
অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয় বা কর্মোদ্দীপনাও
বেড়ে থাকে কার ও কার ও বেলায় । অন্য
দিকে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে
রমজানে রোজা রাখার মাধ্যমে নতুন নতুন
কোষের জন্ম হযে মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা
বৃদ্ধি করতে খুভ সুন্দর সহায়ক । পবিত্র রোজা
শরীরের জন্য চমৎকার detox বলতে পারেন
এবং ধর্মীয় অনুসাশনের ফলে কু রুচি সম্পন্ন
বদ অভ্যাস থাকলে তা ও দূর হয়ে যায় ।
গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যা- প্রায় ই দেখা
যায় অনেকেই সারা বছর গ্যাস্ট্রিক ও
আলসারের সমস্যা থাকে । কিন্তু রোজা
আসলেই দেখা যায় তা কমে গেছে বা
তেমন সমস্যা করেনা ( যদি রোজার মাসে
ইফতারে ভাঝা পোড়া বা তেলযুক্ত খাবার না
খেয়ে থাকেন ) এর মুল কারন পাকস্থলীর
উক্তেজিত এঞ্জাইম সমুহকে বেশ
উক্তেজিত করতে পারেনা মস্তিষ্কে কিছু
হরমুন কম নিঃসরণ হয় বলে, বলা যায় এক ধরণের
অবস করে রাখে বা বা এ সময় কিছুটা কম
হাইড্রোক্লোরাইড নিঃসরণ হয় ভিলাই থেকে,
বলতে পারেন পাকস্থলীসহ পরিপাকতন্ত্র
বিশ্রাম পায় ও হজম প্রক্রিয়া ও খুভ ধির গতিতে
হয় । তাই রোজা রাখলে গ্যাস্ট্রিক ও
আলসারের সমস্যা কম থাকবে, তারপর ও
পারফিউরেশন জাতীয় আলসারে আপনার
চিকিৎসকের পরামর্ষ নিতে হবে । এ সময়
adiponectin নামক হরমোন বৃদ্ধি পেয়ে হজম
শক্তিকে সুন্দর একটা পর্যায়ে নিতে সাহায্য
করে ইহা ও প্রমাণিত ।
ডায়াবেটিস- বলার অপেক্ষা রাখেনা ডায়াবেটিস
টাইপ ১ , রোজা রাখার মাধ্যমে অনেক টা
সেরে যায় ৭০% । কারন হিসাবে দেখানো
হয়েছে উপবাসের ফলে রক্তে ইনসুলিনের
মাত্রা কমে আসে, সর্ত হচ্ছে চিনি জাতীয়
খাবার ইফতারের পর না খাওয়া । ( কিছু কিছু
ক্ষেত্রে – অনেকের আবার একেবারে
কমে গিয়ে হাইপো গ্লাইসেমিয়া দেখা দিতে
পারে, সে দিকে একটু নজর রাখতে হবে ) ,
সে জন্য – টাইপ ১ কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য
বিশেষজ্ঞরা রোজা রাখার পরামর্ষ দিয়েই
থাকেন অনেকের ক্ষেত্রে । তবে টাইপ-২
ডায়াবেটিস রোগীরা ও সতর্কতার সাথে
রোজা রাখতে পারেন এবং নিম্নের বিষয় সমুহ
একটু খেয়াল রাখলেই হবে –
হাইপোগ্লাইসিমিয়া (রক্তে গ্লুকোজের
পরিমাণ কমে যাওয়া)- হাইপারগ্লাইসিমিয়া (রক্তে
গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া)।-
ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিস –পানিশূন্যতা এবং
থ্রোম্বোসিস–মুখে ওষুধ সেবনকারী
ডায়াবেটিস রোগী- ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণের
ঔষধ সমুহ -মোট ডোজের ২-৩ ভাগ ইফতারির
সময় এবং ১-৩ ভাগ সেহরীরর সময় খাওয়া ভাল-
গ্লিটাজোন-স্বাভাবিক মাত্রা- সালফোনাইল-ইউরিয়া-
সতর্কতার সাথে দেয়া যেতে পারে।
হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ঝুঁকি থাকে। অর্থাৎ যারা
ইনসুলিন ডিপেন্ডেন্ট ডায়াবেটিস রোগী,
তাদের রোজা রাখা কিছু টা ঝুকিপূর্ণ বিধায় খুভ
বেশী সতর্ক থাকতেই হবে।
কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের জন্যঃ
রোজার সময় যেহেতু দীর্ঘক্ষণ না
খেয়ে থাকতে হয়, তাই কারো কারো পানি
স্বল্পতা হতে পারে। যা কোষ্ঠকাঠিন্য
রোগীদের জন্য সমস্যার ব্যাপার। তারা ইফতার
ও সেহরিতে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি,
ফলের রস, সরবত, শাকসবজি, সালাদ, ইসবগুলের
ভুসি খেলে আরাম করে রোজা রাখতে
সমস্যা হবে না। গরু বা খাসির গোশত, ইলিশ ও চিংড়ি
মাছ এবং যেসব খাবার খেলে মল শক্ত হয়ে
যায় তা না খাওয়াই ভাল তবে এ ধরণের অসুখ
যাদের আছে তাহারা অবশ্যই আঁশ জাতীয় সবজি
প্রতিদিন খেতে পারলে রোজার পরে মিল্ক
অফ ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় ঔষধ খাওয়ার অভ্যাস
থাকলে তাও দূর হয়ে যাবে ।
আর ও অন্যান্য অসুখে কিছুটা উপকারি
যেমনঃ-
লিভার ও কিডনির ক্ষেত্রেঃ- রোজা ধারী
ব্যাক্তির দেহের টক্সিন অতি সহজে বাহির হয়ে
যায় – আমরা সাধারণত যে খাবারগুলো খাই, তার
অধিকাংশই প্রসেসড খাবার। যেমন, রুটির চেয়ে
পাউরুটি-বিস্কুট, কেক বা পিজা-র মতো খাবার
আমাদের প্রিয় বেশি। এসব খাওয়ার পর
দেহের ভেতর এগুলো টক্সিনে রূপান্তরিত
হয়। এমনকি কোনো কোনো সময় তা
এডভান্সড গ্লাইসেশন এন্ড প্রোডাক্ট
(Advanced Glycation End product বা AGE) এ
রূপান্তরিত হয । AGE এবং ডায়াবেটিসের কারণে
মানুষের যে দুরারোগ্য ব্যাধিগুলো হয়,
যেমন, অ্যাজমা, আথ্রারাইটিস, হার্ট অ্যাটাক, কিডনি
ফেইলিওর, দৃষ্টিশক্তি হারানো, দাঁত পড়ে যাওয়া,
মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া – ইত্যাদির
পেছনে মূল কারন হলো AGE । রোজাতে
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে এই ফ্যাট
কমে এবং ক্ষতিকারক টক্সিনগুলো লিভার, কিডনি
ও অন্যান্য অঙ্গের মধ্য দিয়ে রেচনের
মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। ফলে ঐ জাতীয়
অসুখ অন্য সময়ের চাইতে কম থাকবেই ।
( প্রমাণিত )
মাথা ব্যাথাঃ- রোজার সময় বিভিন্ন কারণে মাথাব্যথা
হতে পারে। যেমন-পানিস্বল্পতা,ক্ষুধা , কম
বিশ্রাম, চা-কফি না খাওয়া। এই স্ব সমাধানে
ইফতারের সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা
উচিৎ , বা সে জন্য প্রচুর পানি, লেবু বা ফলের
রস খাওয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখবেন
যাদের ডি হাইড্রেশন হওয়ার সম্বাভনা থাকে
তাদের অবশ্যই সেহেরীর সময়
প্রয়োজনের চাইতে একটু বেশী পানি বা
ফলের রস বা ডাবের পানি ইত্যাদি খাওয়া ভাল ।
অথবা যাদের কিডনিতে ইউরিয়া জমা হওয়ার
সম্বাভনা আছে বা সে জাতীয় পাথর হওয়ার
সম্বাভনা আছে, তাহারা সেই আক্রমন থেকে
মুক্ত থাকবেন ।
রমাজান মাসে রাগ গোসসা কেন বাড়েঃ-
আমার জানা মতে পবিত্র রমজান সম্মন্ধে নিজ
ধর্ম সম্মন্ধে কিছু টা অভিজ্ঞতা থাকলে এই
মাসে কারও রাগ গোসা বাড়ার কথা নয় , কেন না
রোজা মানুষ কে ধৈর্য ও সহানুভূতির শিক্ষা দেয়
, তারপর ও মেডিক্যাল সাইন্স অনুসারে – কারও
কারও নিজের অজান্তেই একটু বেশী হওয়ার
কারন – রোজা রাখার ফলে প্রথম ৬ ঘন্টার
মধ্যেই মস্তিস্ক এবং শরীরের মাংস
পেশীতে, গ্লকুজের অভাবে এড্রিনালিন এবং
নারাড্রিনালিন ( adrenaline and noradrenaline )
কিছু টা অনিয়ন্ত্রিত অতিরিক্ত বেড়ে যায় বা
কমে যায় , তড়িৎ গতিতে এবং গ্লকজের সাময়িক
ভারসাম্মতা ঠিক মত মস্তিষ্কে পৌছাইতে পারেনা
এর জন্য মানুষের উপবাস জনিত রাগ বাড়ে ।
তখন যদি উক্ত ব্যাক্তি ( ৩০/৫০ মিনিট ) , সামান্য
কিছু সময় উক্তেজিত বিষয় এড়িয়ে যেতে
পারলে তাহলে এমনিতেই ধমে যায় । অন্য
এক ডকুমেন্টারিতে দেখানো হয়েছে, এ
ধরণের আচরণ ভুক্ত মানুষের প্রথম ৩ দিন
যে পরিমাণে হরমোন সমুহের স্রোত
দেখা যায় পরবর্তীতে ধিরে ধিরে তা চলে
যায় এমন কি রমজানের শেষে একেবারেই
পরিবর্তিত হয়ে যায় ( যদি অভ্যাস ও পরিবেষগত
কোন ত্রুটি না থাকে – সাইন্স এন্ড টেক )
Anger is a natural response to perceived
threats. It causes your body to release
adrenaline, your muscles to tighten, and
your heart rate and blood pressure to
increase. Your senses might feel more
acute and your face and hands flushed.
অর্থাৎ সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স অনুসারে
দেখা যায় আত্মনিয়ন্ত্রণ হারা ব্যাক্তিদের রমজান
মাসে রাগ গোস্বা বেশী বাড়ে ।
ভাজা-পোড়া খাবার কেন পরিত্যাগ করবেন
ইফতার বা সেহরির সময় – রোজা পালনের পর
ভাজা-পোড়া খাবার পরিবেশন স্বাস্থ্যের জন্য
খুবই ক্ষতিকর। তেল হচ্ছে এক ধরনের
স্নেহজাতীয় পদার্থ। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় বারে
বারে গরম বা ভাজার ফলে Acrolene নামে এক
ধরনের জৈব হাইড্রোকার্বন তৈরি করে। এটি
স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বা ইহা
ধীরে ধীরে মানুষের হজমশক্তি নষ্ট
করে ফেলে। ফলে পেটে বদহজম,
গ্যাস্ট্রিক, আলসার, ডায়রিয়া, পাকস্থলী জ্বালা-
পোড়াসহ নানা ধরনের জটিল রোগের সৃষ্টি
হয়। সুতরাং খাবারের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক
থাকা জরুরি। তার চাইতে ইফতারের সময় খেজুর,
পানি, হালকা ও শরবত জাতীয় খাদ্য খাওয়া ভালো।
(রোজা প্রত্যেক ধর্মের মানুষ ভিন্ন ভাবে
করে আসছেন হেপুক্রেটিস সময়ের আগ
থেকেই- খুভ সঙ্কেপে জেনে নিন ) মানব
সভ্যতা শরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সভ্যতা-
সংস্কৃতির মানুষও রোজা পালন করতেন।
পৃথিবীর প্রায় সব ধর্মেই উপবাসব্রত উদযাপন
বা রোজা পালনের বিধান রয়েছে যদি ও এর
নিয়ম নিতি ভিন্ন । ভারতীয় উপমহাদেশ উদ্ভূত
হিন্দু ধর্মে – প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায়
ধর্মীয় অনুশাসন হিসেবে রোজা পালনের
বিধান ছিল। যোদ্ধা জাতি গ্রিক ও রোমান
সভ্যতায়, হাম্মুরাবির আইন কোড খ্যাত
ব্যবিলনীয় সভ্যতায়, আসুরউবলি্লতে প্রতিষ্ঠিত
এসেরীয় সভ্যতায়, জরত্থুস্থ মতবাদের
পীঠস্থান পারস্য সভ্যতায় রোজার প্রচলন
ছিল। মহাবীর প্রবর্তিত জৈন ধর্মেও
উপবাসব্রত পালনের প্রচলন রয়েছে।
এছাড়া প্রাচীন স্ক্যানডিনেভিয়া অঞ্চল, প্রাচ্য
অঞ্চল, চীন ও তিব্বতের সভ্য মানুষ রোজা
পালন করতেন । সভ্যতার ইতিহাসে খ্যাতিমান
চিকিৎসক পেরিক্লাস ও হিপোক্রাটস বিভিন্ন
রোগের চিকিৎসায় আগত রোগীদের
চিকিৎসা বিধানে রোজা পালনের নির্দেশ
দিতেন। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার জন্মলগ্ন
থেকেই রোজ বা উপবাসব্রতকে চিকিৎসা
পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
পিথাগোরাস পর্যায়ক্রমে ৪০ দিন রোজ বা
উপবাস পালন করতেন এবং তিনি তার ছাত্রদেরও
অনুরূপ আদেশ দেন। ছাত্রদের তার ক্লাসে
প্রবেশের আগে রোজা পালন করতে
হতো। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস ও প্লেটো
১০ দিন রোজা বা উপবাস পালন করতেন।
প্লুটার্ককের রোজা বা উপবাস ছিল একদিনের।
– ইহুদীরা ও একি ভাবে রোজা পালন করে
থাকে — তা হলে এ থেকেই বুজা যায় রোজা
রাখা পবিত্র ধর্মীয় বাধ্যতা মুলক আদেশ
বাদেও – একজন মানুষের স্বাস্থ্য, সামাজিক ,
সুন্দর চরিত্র ও সংযমী করে তৈরি করতে
১০০% সহায়ক – ধন্যবাদ

April 26, 2015